কাতার, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রাকৃতিক গ্যাস স্থাপনায় হামলার পর বৃহস্পতিবার এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় পতন ঘটে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ ও দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি সূচক প্রায় ৩ শতাংশ কমে যায়, আর ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১২ ডলার ছাড়ায়। হামলাগুলো ঘটে এমন সময়ে যখন হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ এবং গালফ অঞ্চলের তেল ও গ্যাস রপ্তানি ব্যাহত রয়েছে।
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের রাস লাফান শিল্পনগরীর প্রধান এলএনজি রপ্তানি স্থাপনায় বড় ক্ষতি হয়েছে বলে দেশটি জানায়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি আরও কয়েকটি স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ড ও ব্যাপক ক্ষতির কথা নিশ্চিত করে। সংযুক্ত আরব আমিরাত হামলা প্রতিহত করার পর হাবশান গ্যাস স্থাপনা ও বাব তেলক্ষেত্রের কার্যক্রম স্থগিত করে। সৌদি আরবও পূর্বাঞ্চল ও রাজধানী রিয়াদে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করার কথা জানায়। এসব হামলা ইসরায়েলের দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে আঘাতের প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের প্রতিক্রিয়ার অংশ।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, সীমিত ক্ষতিও দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ বিঘ্ন ঘটাতে পারে। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাতের ফলে তেলের দাম ইতিমধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।