সূত্রের একটি মন্তব্যধর্মী লেখায় বিএনপির মিডিয়া কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। লেখকের দাবি, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনায় দলটির কখনো সুসংলগ্ন ও রাজনৈতিক মতাদর্শভিত্তিক নীতি ছিল না। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বৈরী সংবাদকভারেজের মুখে থাকা বিএনপি এখন সেক্যুলার ও সুশীলধারার মিডিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে গিয়ে নতুন জটিলতায় পড়েছে।
লেখক আমার দেশ পত্রিকার পুনঃপ্রকাশ এবং বিএনপির সাইবার সেলের কথিত বয়কট আহ্বানের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনার পর আমার দেশ-এর ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা ফৌজদারি অভিযোগ তোলার অভিযোগও তিনি করেন। নিরাপত্তার কারণে সংশ্লিষ্ট দুই প্রভাবশালী সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বলে জানান তিনি; মামলাটি ঢাকার সিএমএম আদালতে চলমান বলে উল্লেখ করেন।
মন্ত্রিসভার রদবদলের পর হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদনের জেরে নতুন বিরোধের কথাও লেখায় এসেছে। জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পত্রিকাটির এক-এগারোর সময়ের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ করেন বলে দাবি করা হয়েছে। টিআইবিসহ কয়েকটি সুশীল সংগঠন প্রথম আলোর পাশে দাঁড়িয়েছে বলেও লেখক উল্লেখ করেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।