মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জন্য পৃথক নাগরিক তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন, যার লক্ষ্য নন-সিটিজেনদের ভোট দেওয়া বন্ধ করা। মার্চ মাসে স্বাক্ষরিত নির্বাহী আদেশে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে এই তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে আদালতে বিচার বিভাগ স্বীকার করেছে যে এমন তালিকা অনির্ভরযোগ্য হতে পারে, কারণ অ-নাগরিকদের ভোট দেওয়ার প্রমাণ কার্যত নেই। ওয়াশিংটনের ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলাটি বর্তমানে চলছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবস্থা নেই এবং মাত্র অর্ধেক নাগরিকের পাসপোর্ট রয়েছে। সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, আর ন্যাচারালাইজেশন রেকর্ডের কোনো কেন্দ্রীয় সূচকও নেই। আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন, ১৯৭৪ সালের প্রাইভেসি অ্যাক্ট অনুযায়ী ব্যক্তিগত সম্মতি ছাড়া তথ্য শেয়ার করা আইনবিরুদ্ধ হতে পারে। বিচারক কার্ল জে. নিকোলস জানিয়েছেন, আইন লঙ্ঘন হবে কি না তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ত্রুটিপূর্ণ ডাটাবেজ নাগরিক ও অ-নাগরিক উভয়ের অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে। এই উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের নাগরিকত্ব নীতিতে পরিবর্তনের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ, যার মধ্যে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সংশোধন ও ন্যাচারালাইজড নাগরিকত্ব বাতিলের পদক্ষেপও রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।