আধুনিক ইতিহাসবিদ ও সমাজবিজ্ঞানীরা প্রচলিত ধারণার বিরোধিতা করে বলেছেন, ৭১২ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধ আক্রমণের মাধ্যমে নয়, বরং শতাব্দীব্যাপী বাণিজ্য, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ও সামাজিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারতে ইসলামের আগমন ঘটে। আরব বণিকরা গোলমরিচের ব্যবসার জন্য ভারতের পশ্চিম উপকূলে আসতেন, যা ইসলামের বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ইতিহাসবিদ সৈয়দ সুলেমান নদভীর মতে, ইসলামের আবির্ভাবের পর আরবরা গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ নিয়ন্ত্রণে নেন এবং এর ফলে দক্ষিণ ভারতে মাপ্পিলা মুসলিম সম্প্রদায়ের বিকাশ ঘটে। রাজনীতিবিদ শশী থারুরও উল্লেখ করেছেন, মালাবার উপকূলে ইসলাম এসেছে আরব বণিকদের মাধ্যমে, কোনো তরবারির জোরে নয়। ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে মালিক বিন দিনারের উদ্যোগে নির্মিত চেরামন জামা মসজিদকে ইসলামের প্রাচীন উপস্থিতির প্রমাণ হিসেবে ধরা হয়।
এছাড়া সুফি চিশতি ও সোহরাওয়ার্দী সিলসিলার আধ্যাত্মিক প্রভাব এবং কৃষি উন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয় নীতির মাধ্যমে বাংলা ও পাঞ্জাবে ইসলামের বিস্তার ঘটেছিল বলে গবেষক রিচার্ড ইটন উল্লেখ করেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।