রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা বাসটি ওপরে তুলে একের পর এক লাশ বের করতে থাকেন। ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৬ জন নারী ও ৩ জন শিশু রয়েছে। বাসের দরজা ভেঙে গেছে এবং ভেতর থেকে স্কুল ব্যাগ, জুতা, ভ্যানিটি ব্যাগসহ নানা জিনিস ভেসে উঠেছে। উদ্ধার কাজে সহায়তার জন্য তিনটি অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে।
নদীর পাড়ে নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে অনেকেই অপেক্ষা করছেন। কেউ কেউ জানিয়েছেন, তাদের পরিবারের কয়েকজন সাঁতরে পাড়ে উঠতে পারলেও শিশু সন্তান ও আত্মীয়রা এখনও নিখোঁজ। এক ব্যক্তি কান্নাজড়িত কণ্ঠে তার দুই নাতি-নাতনির জন্য অপেক্ষা করছেন।
ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন জানান, প্রায় ৫০ জন যাত্রী নিয়ে কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী বাসটি ফেরির জন্য অপেক্ষা করছিল। সোয়া পাঁচটার দিকে ‘হাসনা হেনা’ নামের একটি ইউটিলিটি ফেরি পন্টুনে ধাক্কা দিলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।