ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী। ৬৮টি আসনে জয়ী দলটি ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে প্রায় ১২টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দলটির মহিলা বিভাগ প্রস্তাবিত নামগুলো কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী ফোরামে পাঠাবে, যেখানে সংসদীয় বোর্ডের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নেতৃত্বের পাশাপাশি যোগ্য পেশাজীবীদেরও বিবেচনায় আনা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মহিলা বিভাগের সিনিয়র নেত্রী ও বিভিন্ন পেশাজীবী নারী ব্যক্তিত্বদের নাম আলোচনায় রয়েছে। নেতৃত্ব নির্বাচনে এমন এলাকাগুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যেখানে দলীয় প্রার্থী বিজয়ী হননি। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী সংসদের প্রথম অধিবেশন শেষে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৫০ থেকে ১০০ করা হলে জামায়াত ২৪টি আসন পেতে পারে, ফলে প্রার্থী নির্বাচনের পরিকল্পনাও আরও বিস্তৃত হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।