আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানতে চেয়েছে কেন বাংলাদেশে এমন ব্যাংকগুলো বন্ধ বা পুনর্গঠন করা হচ্ছে না, যেগুলোর খেলাপি ঋণের হার ৮০ শতাংশেরও বেশি। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকে এই প্রশ্ন তোলে সংস্থাটির প্রতিনিধিদল। আইএমএফ মিশনপ্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে পাঁচ দিনের সফরে থাকা দলটি নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে।
বৈঠকে ব্যাংকিং খাত সংস্কার, খেলাপি ঋণ কমানো, ব্যাংক রেজল্যুশন, ইসলামি ব্যাংকিং, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা এবং নতুন ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়। আইএমএফ জানতে চায় কেন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউর আওতায় আনা হয়নি এবং দুর্বল ব্যাংকগুলোকে রেজল্যুশন প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, খেলাপি ঋণ নিষ্পত্তির গাইডলাইন ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে এবং আইএফআরএস-৯ বাস্তবায়নের নির্দেশনা ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নতুন আইএমএফ ঋণ কর্মসূচি দেশের স্বার্থ রক্ষার ভিত্তিতেই হবে। সরকার তিন বছরে ৪০০–৪৫০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার আশা করছে, যা সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ব্যবহৃত হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।