গত মাসের যুদ্ধবিরতির পর হামাস গাজায় পুনরায় প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করছে, যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য বিদেশি শক্তি তাদের ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হামাস এখন পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ও সিগারেটের মতো পণ্যে ফি আরোপ এবং সহযোগিতার অভিযোগে ব্যক্তিদের শাস্তি দিচ্ছে। হামাস এসব কর আরোপের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তারা কেবল মানবিক ও প্রশাসনিক কাজ করছে এবং শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনায় গাজায় একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন, বহুজাতিক নিরাপত্তা বাহিনী ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল, তবে ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি ও রাজনৈতিক মতভেদের কারণে তা স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বিলম্ব হামাসকে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, হামাস গাজা শাসন করতে পারবে না, অন্যদিকে ফাতাহ নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন প্রশাসনে ভূমিকা চায়। এদিকে গাজার জনগণ দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।