জেরা শেষে আবার দেওয়া জবানবন্দিতে সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সালমান এফ রহমান তাকে ফোন করে আবু সাঈদের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দিতে বিলম্বের কারণ জানতে চেয়েছিলেন। জেরায় মামুন বলেন, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবদান রাখা পুলিশ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন পদক দেওয়া হয়। তিনিও পদক পেয়েছিলেন। পরে বলেন, পদক ২০১৮ সালের নির্বাচনের কারণে কি না, তা এ মুহূর্তে বলতে পারছেন না।' তিনি বলেন, ‘আমি পদত্যাগ করিনি। তবে সুবিধাভোগী ছিলাম না।’ মামুন বলেন, কামালের ধানমন্ডির বাসায় বৈঠকে তিনি থাকতেন না। তাকে ওই বৈঠক সম্পর্কে জানানো হতো না। কারণ এসব বৈঠক ছিল অনানুষ্ঠানিক। চেইন অব কমান্ড ভেঙে এসব বৈঠক হতো। অধস্তন যারা বৈঠকে যেতেন তাদের নিষেধ করলেও শুনতেন না। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি। কারণ, আসাদুজ্জামান খানের নেতৃত্বে এসব বৈঠক হতো। আরো বলেন, ‘আমি দায়িত্বে অবহেলা করেছি। এ কারণেই দোষ স্বীকার করেছি। সরকারের কোনো অবৈধ নির্দেশনা মানতে পুলিশ বাধ্য না। র্যাবের ডিজি থাকাকালে বন্দিশালাসহ নানা অনিয়মের ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা নিইনি।’ তিনি বলেন, পুলিশ আক্রান্ত হলে আক্রান্তের মাত্রা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে, এর বেশি নয়। কোনো শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের গুলি করে হত্যা করা বৈধ নয়। মামুন বলেন, শেখ হাসিনা এবং খান কামাল হেলিকপ্টার, ড্রোন বা লেথাল উইপন ব্যবহার করার নির্দেশ দেননি, এটা সত্য নয়। তবে এসব ব্যবহারের কোনো লিখিত নির্দেশ পাননি। তিনি জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত অপরাধের অংশীদার বলে স্বীকার করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।