গত ২৯ অক্টোবর বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্স থেকে ৬৩০ কোটি ডলার মূল্যের সম্পদ চুরির পর বীমা কোম্পানিগুলো ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্মগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নজরদারি বাড়াচ্ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জগুলোও দ্রুত তাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন বীমা নেওয়া বা বিদ্যমান পলিসি নবায়নের সময় প্রতিষ্ঠানগুলো বাইন্যান্সের মতো হামলার ঝুঁকিতে আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।
বীমা কোম্পানিগুলো ক্রিপ্টো খাত থেকে পুরোপুরি সরে যাবে বা ব্যাপকভাবে সুবিধা কমাবে বলে মনে করার কারণ নেই। তবে তারা গ্রাহকদের বাইন্যান্সের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সেখানে অর্থ জমা আছে কি না নিবিড়ভাবে যাচাই করবে। এফবিআই হামলার জন্য উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুক্ত একটি গোষ্ঠীকে দায়ী করছে, যদিও পিয়ংইয়ং অভিযোগ অস্বীকার করেছে। উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতা থাকলে দাবি নিষ্পত্তি জটিল হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।
বাইন্যান্স বলেছে, ভুয়া চাকরির সাক্ষাৎকার ও বিজ্ঞাপনে লুকানো সফটওয়্যার ব্যবহার করে হ্যাকাররা দুই সফটওয়্যার প্রকৌশলীর কম্পিউটার হ্যাক করে এবং তৃতীয় একটি কম্পিউটার ব্যবহার করে সম্পদ নেয়। জুনে শুরু হওয়া বহু-পর্যায়ের এই প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিক নিরাপত্তা লঙ্ঘন ঘটে। নবায়নের সময় বীমাকারীরা ঝুঁকি পুনর্মূল্যায়ন, তথ্য হালনাগাদ চাওয়া এবং নতুন নিরাপত্তা শর্ত আরোপ করতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।