Web Analytics

ভারত বিদেশি ও পুরোনো অস্ত্রের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিনির্ভর বহুমাত্রিক সামরিক শক্তি গড়ে তুলছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ১৬ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে আকাশ প্রতিরক্ষা, স্থলসীমান্তের ট্যাংক ও রকেট, যুদ্ধজাহাজ, সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান এবং ড্রোনকে এই সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। স্বাধীনতার পর ব্রিটিশ আমলে পাওয়া অস্ত্র ও সরঞ্জামনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা কাঠামো সময়ের সঙ্গে বদলেছে।

১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ডিআরডিও ক্ষেপণাস্ত্র, রাডার, যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ, সাঁজোয়া যান ও ড্রোন উন্নয়নে কাজ করছে। প্রতিবেদনে দেশীয় আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, এমআরএসএএম, এস-৪০০, বারাক-৮, স্পাইডার ও কিউআরএসএএমের মাধ্যমে বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষার কথা বলা হয়েছে। ভারত-রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি ব্রহ্মোস স্থল, সমুদ্র ও আকাশ থেকে ব্যবহারযোগ্য সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থলবাহিনীতে পিনাকা, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার, ড্রোন প্রতিরক্ষা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। নৌবাহিনীতে বারাক-৮ বা এলআর-এসএএম এবং ভিএল-এসআরএসএএম যুক্ত করা হয়েছে। টাপাস, রুস্তম, আর্চার, ঘাতক ও সুইফট ড্রোন উন্নয়নের কথাও প্রতিবেদনে রয়েছে। রাডার, সেন্সর, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং হাইপারসনিক প্রযুক্তিতে গবেষণাও বাড়ানো হচ্ছে।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।