৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে টেক্সাসের মুসলিম নেতারা সংগঠিত হচ্ছেন। হিউস্টনের বিভিন্ন মসজিদ ভোটার নিবন্ধনকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইসলামিক সোসাইটি অব গ্রেটার হিউস্টন জানিয়েছে, তারা প্রতি সপ্তাহে প্রায় এক হাজার ভোটারকে নিবন্ধনে সহায়তা করছে। শিক্ষা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ইসলামকে ঘিরে জনধারণার বিতর্কের মধ্যেই এ উদ্যোগ চলছে।
মুসলিম অধিকারকর্মীরা টেক্সাসের নতুন সামাজিক শিক্ষা পাঠ্যক্রমে ইসলামকে অন্যায্যভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ করেছেন। ওই পাঠ্যক্রমে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার জন্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের বদলে ‘উগ্রপন্থি ইসলাম’কে দায়ী করার বিষয়টি শেখানোর নির্দেশনা রয়েছে। সমর্থকদের ভাষ্য, এটি পশ্চিমা সভ্যতা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও টেক্সাস প্রতিষ্ঠার ভিত্তি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বাড়ানোর বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ।
তবে মুসলিম ভোটাররা একক রাজনৈতিক শক্তি নন। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, মুসলিম প্রাপ্তবয়স্কদের ৫৩ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের সমর্থক বা তাদের দিকে ঝুঁকে আছেন, আর ৪২ শতাংশ রিপাবলিকানদের সমর্থক বা তাদের দিকে ঝুঁকে আছেন। রাজনৈতিক প্রভাব ভোটার উপস্থিতি, স্থানীয় জনসংখ্যার ঘনত্ব, জোট গঠন এবং প্রার্থীদের সাড়ার ওপরও নির্ভর করবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।