বাংলাদেশ ও জাপান মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকেন্দ্রিক বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ ইনিশিয়েটিভ বা বিগ-বি উদ্যোগে নতুন গুরুত্ব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টোকিও সফরের সময় সাম্প্রতিক যৌথ ঘোষণায় আঞ্চলিক যোগাযোগ, দুর্যোগ ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলার সক্ষমতা, সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ এবং শান্তি-স্থিতিশীলতায় সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ীকে বন্দর, জ্বালানি, সরবরাহব্যবস্থা, শিল্পাঞ্চল ও পরিকল্পিত নগরসহ বৈশ্বিক রপ্তানি কেন্দ্রে পরিণত করা।
২০১৪ সালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা থেকে প্রকল্পটির শুরু। কয়লা পরিবহনের জন্য নির্মিত ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ২৫০ মিটার প্রশস্ত চ্যানেলকে বাণিজ্যিক বন্দর হিসেবে ব্যবহারযোগ্য করার প্রস্তাব দেয় জাইকা। অর্থনীতিবিদ খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের মতে, পুরো এলাকায় ৬০ থেকে ৬৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা রয়েছে এবং কয়েক দশকে প্রায় ২৮ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হতে পারে।
জামায়াতে ইসলামী আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, যোগাযোগের নামে ভারতকে করিডর বা বিশেষ পণ্য পরিবহন সুবিধা দেওয়া হতে পারে কি না। সরকার বলছে, এমন উদ্দেশ্য নেই এবং মাতারবাড়ী সব দেশের বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বিশ্লেষকেরা ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক ঐকমত্য এবং চীন, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।