হায়দরাবাদের সংসদ সদস্য ও অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ভারতের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর কার্যক্রম এবং নয়াদিল্লির কৃষি ভবন এলাকায় ঐতিহাসিক কাদেমি মসজিদ সরানোর উদ্যোগের সমালোচনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে সংখ্যালঘু সংস্কৃতির ওপর সুপরিকল্পিত আঘাত হানা হচ্ছে এবং ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে।
ওয়াইসি হায়দরাবাদের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আর ভি কারনানের বক্তব্য উল্লেখ করেন, যিনি বলেছেন যাচাইয়ে কোনো বিদেশি নাগরিক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী পাওয়া যায়নি। তাঁর মতে, এতে বিজেপি ও সংঘ পরিবারের দীর্ঘদিনের দাবি প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে গিয়ে দরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন এবং দিনমজুরদের অন্তত দুই দিনের কাজ হারাতে হয়েছে।
সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট নির্মাণের জন্য মসজিদটি সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওয়াইসি বলেন, মসজিদটি ১৯১২ সালের আগেই প্রতিষ্ঠিত ছিল এবং এর ঐতিহাসিক ও আইনি মর্যাদা স্বীকার করা উচিত। তিনি সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজুর হস্তক্ষেপ চান এবং মালিকানা বিরোধ থাকলে ওয়াক্ফ ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তির প্রস্তাব দেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।