ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নে মেঘনা নদীর ভাঙনে তিন যুগের বেশি সময় ধরে বসতভিটা, চাতালকল, মসজিদ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে। ৩০ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্ষা এলেই ভাঙনের আতঙ্ক ফিরে আসে এবং স্থায়ী নদীতীর রক্ষা বাঁধ না থাকায় শত শত মানুষ নতুন করে সর্বস্ব হারাচ্ছেন। পালপাড়া, সাখাইতি, দেওবাড়িয়া ও লায়ারহাটি এলাকায় প্রায় তিন কিলোমিটারজুড়ে ভাঙন চলছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিদিন নতুন এলাকা নদীতে চলে যাচ্ছে; ইতোমধ্যে প্রায় ২০টি চাতালকল ও শতাধিক বসতঘর বিলীন হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. তৌহিদ মিয়া বলেন, কয়েকশ পরিবার সরাসরি ঝুঁকিতে রয়েছে এবং ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি স্থায়ী বাঁধ। বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মোহাম্মদ শামীমের দাবি, ভাঙনে প্রায় ৮০ শতাংশ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিলীন বা বন্ধ হয়েছে।
শামীম অবৈধ বালু উত্তোলনকে ভাঙনের কারণ হিসেবে অভিযোগ করলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ১ হাজার ৩৫০ মিটার তীর সংরক্ষণকাজের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে কয়েকটি স্থানে জিও ব্যাগও ফেলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।