ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে যুক্তরাজ্যের গ্যাস মজুদের ওপর। ন্যাশনাল গ্যাসের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার দেশটিতে গ্যাস মজুদ ছিল প্রায় ৬ হাজার ৯৯৯ গিগাওয়াট ঘণ্টা, যা এক বছর আগে ছিল ৯ হাজার ১০৫ গিগাওয়াট ঘণ্টা। যুক্তরাজ্যের গ্যাস সংরক্ষণের সর্বোচ্চ সক্ষমতা প্রায় ১২ দিনের সমান হলেও বর্তমানে মজুদ নেমে এসেছে দুই দিনেরও কমে।
ন্যাশনাল গ্যাস জানিয়েছে, মজুদ কম থাকলেও দেশটি নিজস্ব সমুদ্রাঞ্চল, নরওয়ে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), ইউরোপের পাইপলাইন এবং সংরক্ষিত গ্যাসসহ বিভিন্ন উৎস থেকে নিয়মিত সরবরাহ পাচ্ছে। জ্বালানি নিরাপত্তা ও নেট জিরো বিভাগও জানিয়েছে, মাত্র দুই দিনের গ্যাস রয়েছে—এমন দাবি পুরোপুরি সঠিক নয় এবং তারা জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী।
যুদ্ধের কারণে কিছু গ্যাসবাহী জাহাজ ইউরোপের পরিবর্তে এশিয়ার দিকে চলে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে বিমান হামলা এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাজ্যে গ্যাসের দাম প্রতি থার্ম ৭৮ দশমিক ৫ পেন্স থেকে বেড়ে প্রায় ১৩৭ পেন্সে পৌঁছেছে, যা বাজারে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।