বুধবার সকালে তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। হঠাৎ নেমে আসা পানি ও কাদার স্রোতে নুয়াকোট, ধাদিং এবং আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা দীপিকা সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্রোত আসতে দেখে পরিবারের সদস্যদের সতর্ক করে সবাইকে নিয়ে বাড়ির ছাদে আশ্রয় নেন।
প্রাণে বাঁচলেও দীপিকার বাড়ির নিচতলা পুরোপুরি কাদায় ঢেকে গেছে। আসবাবপত্র বা প্রয়োজনীয় সামগ্রী উদ্ধার করা যায়নি; পান করার জন্য রাখা পানির কলসও কয়েক ফুট কাদার নিচে চাপা পড়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকা ধূসর কাদার সাগরে পরিণত হয়েছে। কোথাও মন্দিরের চূড়া, দোতলা বাড়ির অংশ এবং পাহাড় থেকে নেমে আসা বড় পাথরের স্তূপ দেখা যাচ্ছে।
নির্মাণাধীন বাড়ির পাশে কাজ করার সময় শ্রমিক বিবেক কুমাল স্রোতে ভেসে যান, তবে একটি আমগাছে আটকে প্রাণে বাঁচেন। স্রোত ও পাথরের আঘাতে তাঁর ডান পা গুরুতর জখম হয়। নদী পার হওয়ার চেষ্টায় স্রোতে পড়ে আহত ১১ বছরের রিহানা লামিছানেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।