Web Analytics

বাংলাদেশের বন বিভাগ বলছে, নিবিড় টহল, স্মার্ট প্যাট্রোলিং ও ড্রোন নজরদারিতে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের সুরক্ষায় অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের জুন, জুলাই ও আগস্ট—বনে প্রবেশ নিষিদ্ধ এই তিন মাসে—হরিণের মাংস, চামড়া বা মৃত হরিণ উদ্ধারের কোনো ঘটনা ঘটেনি। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় হরিণ শিকার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে বিভাগীয় পরিসংখ্যান ও মাঠপর্যায়ের তথ্যে দাবি করা হয়েছে।

এ সময়ে বন বিভাগ ১৪ হাজার ৩৮১ ফুট নাইলন ফাঁদ, ১১০টি ছিটকা ফাঁদ, ৮৬ ফুট হাটা ফাঁদ ও ৬৯টি ভোঁয়া ফাঁদ জব্দ করেছে। অবৈধভাবে ব্যবহৃত দুটি নৌকা ও তিনটি ট্রলারও আটক করা হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ ২০টি মামলায় ১২ জন শিকারিকে গ্রেপ্তার করে এবং ১৫৬ দশমিক ৫ কেজি হরিণের মাংস, পাঁচটি মাথা, আটটি পা, দুটি চামড়া ও দুটি মৃত হরিণ উদ্ধার করে।

বিষ দিয়ে মাছ ধরার প্রবণতাও কমেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন; এই পদ্ধতি জলজ প্রাণী ও খাদ্যশৃঙ্খলের ক্ষতি করে। বন বিভাগ ফুট, বোট ও স্মার্ট প্যাট্রোলিংয়ের পাশাপাশি দিন-রাত অভিযান এবং ড্রোন ব্যবহার করছে। সংশ্লিষ্টরা শূন্য পদ পূরণ, দ্রুতগতির নৌযান ও ড্রোন বাড়ানো এবং জেলে ও বনজীবীদের নৌযানকে জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।