দেশীয় বাজারে জ্বালানির দাম কমাতে ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সময়ে তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি তাদের কৌশলগত ডিজেল মজুতের একটি অংশ বাজারে ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও ইউরোপকে দ্রুত অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহ করতে বলেছেন। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৫ লাখ ব্যারেল ডিজেল রপ্তানি করে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, রপ্তানি বন্ধ হলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম আরও বাড়তে পারে। সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার প্রভাব মোকাবিলায় বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করেছে যুক্তরাজ্য এবং দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ব্রিটিশ সরকার বলেছে, তাদের কিছু কৌশলগত জ্বালানি মজুত এখনো আছে এবং তাৎক্ষণিক ডিজেল সংকটের আশঙ্কা নেই, তবে দাম বাড়তে পারে।
আরএসির হিসাবে যুক্তরাজ্যে ডিজেলের গড় দাম প্রতি লিটারে ১৯৯ দশমিক ৭৯ পেন্সে পৌঁছেছে, যা আগের ১৪২ দশমিক ৩৮ পেন্সের চেয়ে অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজেল উৎপাদন তুলনামূলক কঠিন এবং পরিবহন ও কৃষিতে ব্যাপক ব্যবহারের কারণে চাহিদা দ্রুত কমানো সম্ভব নয়। চীন অক্টোবরে কিছু জ্বালানি পণ্যের রপ্তানি কমাতে বা বন্ধ করতে পারে বলেও খবর রয়েছে, আর রাশিয়ার সীমিত রপ্তানি বৈশ্বিক সরবরাহে চাপ বাড়াচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।