চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা জঙ্গল সলিমপুরে রোববার গভীর রাতে র্যাব ও পুলিশের দুটি অস্থায়ী ক্যাম্পে একযোগে হামলা চালায় প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী। র্যাবের ধারণা, ইয়াসিন বাহিনী এই হামলার সঙ্গে জড়িত। হামলার আগে পাঁচটি স্থানে রাস্তা কেটে ফেলা হয় যাতে নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তা দ্রুত পৌঁছাতে না পারে। হামলার পর সন্ত্রাসীরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। সোমবার বিকেল পর্যন্ত কোনো অস্ত্র উদ্ধার বা হামলাকারী গ্রেপ্তার হয়নি।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা ঘটনাটিকে তিন স্তরে গোয়েন্দা ব্যর্থতার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন—ঘটনার আগে, সময়ে এবং পরে। তারা বলেন, পাহাড়ি এলাকায় ভারী যন্ত্রপাতি চললেও নজরদারিতে ধরা পড়েনি, সতর্কবার্তা আসেনি এবং হামলাকারীদের পালানোর পথ শনাক্ত করা যায়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও স্থানীয় সহযোগিতার ফল, যা গোয়েন্দা তৎপরতার ঘাটতি নির্দেশ করে।
পুলিশ কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, পাহাড়ি এলাকায় নজরদারি আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, গোয়েন্দা সমন্বয় ও স্থানীয় তথ্যসংগ্রহ উন্নত না হলে ভবিষ্যতে এমন হামলা ঠেকানো কঠিন হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।