রাজধানীর বিভিন্ন ডাম্পিং স্টেশন ও থানা চত্বরে প্রায় ৩৬ হাজার যানবাহন খোলা আকাশের নিচে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। মামলা ও মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে থাকা এসব গাড়ির মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে এবং অনেক যানবাহন ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। ঢাকা মহানগর পুলিশকে নতুন ডাম্পিংয়ের জায়গা খুঁজতে হচ্ছে। জব্দ করা যানবাহনগুলোর মধ্যে অপরাধ মামলার আলামত, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, দুর্ঘটনা, চুরি, মাদক ও চোরাচালান-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের গাড়ি রয়েছে।
গত এক মাসে রাজধানীর ৫০ থানা এবং স্থায়ী ও অস্থায়ী ডাম্পিং স্টেশনে সাড়ে ১৫ হাজারের বেশি যানবাহন পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ভ্যান, ২৬৫টি বাস, ৩০টি ট্রাক, ১৩টি কাভার্ডভ্যান এবং ২৩৪টি মোটরসাইকেল রয়েছে। ৩০ আগস্ট ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ২,১১৯টি মামলায় ৪৯৯টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়। ১ সেপ্টেম্বর ২,৩৭৭টি মামলায় ডাম্পিং করা হয় ৫৫৭টি গাড়ি।
পুলিশ বলছে, আদালতের অনুমতি ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে আলামত হিসেবে জব্দ গাড়িগুলো রাখা হয়। বারবার নোটিস দেওয়ার পরও মালিক সাড়া না দিলে তদন্ত শেষে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে গাড়ি নিলামে তোলা হতে পারে। ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার শামসুর রহমান ভূঞা বলেন, নিরাপদ ডাম্পিংয়ের জন্য উত্তরায় পুলিশ লাইনসের পাশে একটি জায়গা দেখা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।