ইরানে চলমান যুদ্ধের দ্বিতীয় মাসে প্রবেশের প্রেক্ষাপটে চীন ও পাকিস্তান যৌথভাবে মধ্যস্থতা উদ্যোগ নিয়েছে। এই সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থাকে প্রায় স্থবির করে দিয়েছে এবং তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ চলতে পারে, তবে যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।
চীন ও পাকিস্তান একটি পাঁচ দফা পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে, যার লক্ষ্য যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উভয় দেশ শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে এবং সংলাপ ও কূটনীতিকেই একমাত্র কার্যকর পথ হিসেবে দেখছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে চীনের জন্য এই সংঘাত অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট বৈশ্বিক অর্থনীতির গতি কমিয়ে দিতে পারে।
চীনের মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ক্রমেই ঘনিষ্ঠ হচ্ছে, তবে বিশ্লেষকদের মতে, চীন সরাসরি সংঘাতে জড়াতে চায় না এবং তাদের অগ্রাধিকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।