দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় পরিকল্পিতভাবে বনাঞ্চল, কৃষিজমি ও বসতিতে আগুন লাগানোর অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, সিভিল ডিফেন্স কর্মী ও পরিবেশবাদীরা। ১৩ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার খিয়াম এলাকার বাইরে একটি বনাঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনী ফ্লেয়ার ছোড়ার পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। নাবাতিয়েহ অঞ্চলের সিভিল ডিফেন্স প্রধান হুসেইন ফাকিহ বলেন, আগুন নেভাতে যাওয়া কর্মীরাও ড্রোন হামলার মুখে পড়েছেন।
১৭ জুন হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও দক্ষিণ লেবাননে অগ্নিকাণ্ড অব্যাহত থাকার কথা উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ফাকিহের দাবি, সীমান্ত ও যুদ্ধক্ষেত্রসংলগ্ন এলাকার প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ জমি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত, যদিও তাঁর কাছে সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই। তিনি অগ্নিবোমা, দাহ্য পদার্থবাহী ছোট ড্রোন, সাদা ফসফরাস শেল ও ইলুমিনেশন ফ্লেয়ার ব্যবহারের অভিযোগ করেন। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর কাছে প্রতিক্রিয়া চাওয়া হলেও তারা জবাব দেয়নি।
কাফরশুবায় আগুন নেভাতে অনুমতির সীমাবদ্ধতার কথাও জানান সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তা সমীর হারদান। পরিবেশকর্মীরা বন ধ্বংসকে জীববৈচিত্র্য ও জীবিকার দীর্ঘমেয়াদি হুমকি হিসেবে দেখছেন। ইয়ারুনের মেয়র হাফেজ ঘাসামের ভাষ্য, উপগ্রহচিত্রে গ্রামের ৯০০ বাড়ির মধ্যে ৮৮০টি বুলডোজারে ধ্বংস হওয়ার প্রমাণ দেখা গেছে; জলপাই ও ফলের বাগানেও আগুন দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।