এক প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, আওয়ামী লীগ আমলে স্বাক্ষরিত বা সংশোধিত বাংলাদেশ-ভারতের তিনটি চুক্তি ভারতের জন্য বাংলাদেশের বন্দর, নদীপথ ও স্থলপথ ব্যবহারের বিস্তৃত সুযোগ তৈরি করেছে। চুক্তিগুলো হলো চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারবিষয়ক এসিএমপি, কোস্টাল শিপিং অ্যাগ্রিমেন্ট এবং প্রটোকল অন ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেড। প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ব্যবস্থায় চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা ও পানগাঁও ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে; তবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও কৌশলগত লাভ নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।
চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ব্যবহারসংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক সই হয় ৬ জুন ২০১৫ সালে এবং এসিএমপি সই হয় ২৫ অক্টোবর ২০১৮ সালে। বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণে এসওপি সই হয় ৫ অক্টোবর ২০১৯ সালে। ২০২০ সালে কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে আগরতলায় পরীক্ষামূলক কনটেইনার চালান পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত সমালোচকেরা বন্দরে অগ্রাধিকার, মাশুল, কাস্টমস পরিদর্শন এবং অস্পষ্ট কার্গো ভাগাভাগির শর্ত নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।
১৯৭২ সালে প্রথম হওয়া নৌ-ট্রানজিট প্রটোকল ২০১৫ সালে সংশোধন করে প্রতি পাঁচ বছর পর স্বয়ংক্রিয় নবায়নের ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন আলোচনা ছাড়াই এটি ২০২০ ও ২০২৫ সালে নবায়ন হয়েছে। বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকেরা চুক্তিগুলো প্রকাশ, সংসদে আলোচনা এবং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।