চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন কারখানায় পোকা ও ছত্রাক আক্রান্ত, পচা, ফাটা এবং গলে যাওয়া আম থেকে জুসের প্রধান কাঁচামাল পাল্প তৈরির অভিযোগ উঠেছে। কৃষক ও আড়তদারদের ভাষ্য, প্রায় ১০০ টাকা মণ দরে নিম্নমানের আশ্বিনা আম সংগ্রহ করে তা পাল্প প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হচ্ছে। গোমস্তাপুরের গোলাম মোস্তফা ফিটুর মালিকানাধীন চাঁপাই এগ্রো প্রোডাক্ট ফ্যাক্টরিতে এসব আম যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই পাল্প দেশের নামিদামি জুস কোম্পানিগুলো কিনে নেয় বলেও বলা হয়েছে।
শিবগঞ্জের কানসাট বাজারে ভালো আশ্বিনা আম ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হলেও ক্ষতিগ্রস্ত আম মিলছে ১০০ টাকা মণ দরে। কৃষকদের দাবি, চলতি বছর পোকা, ছত্রাক ও অতিরিক্ত বৃষ্টিতে আশ্বিনা আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কারখানায় প্রস্তুত পাল্পের ড্রাম খোলা আকাশের নিচে রাখা এবং কিছু ড্রামের ওপর বৃষ্টির পানি জমে থাকতে দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
গোলাম মোস্তফা ফিটু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নষ্ট অংশ কেটে ফেলে নিয়ম মেনেই পাল্প তৈরি করা হয় এবং ক্রেতা কোম্পানিগুলো নমুনা পরীক্ষা করে পণ্য নেয়। নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. শাকিলুজ্জামান বলেন, পচা আম ব্যবহার করে পাল্প তৈরি শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং নিয়মিত নজরদারি চলছে। শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কথা জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।