জাতিসংঘের এপ্রিল ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে অন্তত ১৬ লাখ মানুষ সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে এবং ৫ লাখ ৭০ হাজার মানুষ মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে খাদ্য ও মানবিক সহায়তা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। গত এক বছরে গাজার জনসংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি কমেছে এবং ৭২ থেকে ৭৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
সেভ দ্য চিলড্রেন ও অক্সফামসহ মানবিক সংস্থাগুলো বলছে, ইসরাইল খাদ্য ও চিকিৎসাকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। ৮৪ লিটার নির্ধারিত পানির পরিবর্তে এখন মাত্র তিন লিটার পানি দেওয়া হচ্ছে। সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, সংকটাপন্ন ১৬ লাখ মানুষের অর্ধেকই শিশু, যাদের মধ্যে ৮ লাখ শিশু গভীর ঝুঁকিতে রয়েছে।
জাতিসংঘের খাদ্যবিষয়ক দূত মাইকেল ফাকরি বলেছেন, গাজায় মৃত্যুর সরকারি সংখ্যা অতিরক্ষণশীল। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইসরাইলের নীতি হলো গাজাবাসীকে দুর্ভিক্ষ ও অভাবের মাধ্যমে দেশত্যাগে বাধ্য করা, যা এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।