ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। দলটি ২৪০টি আসন পায় এবং জোটসঙ্গীদের ওপর নির্ভর করে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার গঠন করে। মোদি তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হন। এই ফলাফল তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব, সরকারের কর্মসম্পাদন ও ভোটারদের প্রত্যাশা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে জনপ্রিয়তা কমার আলোচনায় বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, তরুণদের হতাশা, কৃষক অসন্তোষ এবং অগ্নিবীর নিয়োগব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। জাতপাত ও সংরক্ষণনীতি, সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং মণিপুরের জাতিগত সহিংসতা মোকাবিলায় কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৪ সালে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি, সংবিধান ও সামাজিক ন্যায়বিচারকে সামনে এনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়।
আগস্ট ২০২৬-এ প্রকাশিত ইন্ডিয়া টুডে–সিভোটার জরিপে ৪৮ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা মোদিকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পছন্দ করেন, যা জানুয়ারিতে ছিল ৫৫ শতাংশ। তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের কর্মকাণ্ডকে ভালো বলেছেন ৫৮ শতাংশ, জানুয়ারির তুলনায় ৬ শতাংশ পয়েন্ট কম। অক্টোবর ২০২৬-এ উত্তরপ্রদেশে সিএমআইইর জরিপে তাঁর অনুমোদন ছিল ৪৬ দশমিক ১২ শতাংশ; তবে এটি জাতীয় পরিসংখ্যান নয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।