মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ও ইসরাইলি স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ইরানের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। সোমবার সৌদি আরবের আরামকো তেল শোধনাগার এবং কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনায় হামলার ফলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানিবাহী জাহাজে হামলার কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যাহত হয়, যা বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়।
ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০% বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮২ ডলার ছাড়িয়ে যায়, পরে কিছুটা কমে ৭৯ ডলারে নেমে আসে। যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম ৭.৬% বেড়ে ৭২.২০ ডলারে পৌঁছায়। কাতার এনার্জি এলএনজি উৎপাদন বন্ধ করায় ইউরোপে গ্যাসের দাম প্রায় ৪৫% বেড়ে যায়। অনিশ্চয়তার কারণে লন্ডন, ফ্রান্স ও জার্মানির শেয়ারবাজারে পতন ঘটে এবং বিমান সংস্থাগুলোর শেয়ারের দামও কমে যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে নৌপরিবহন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে এবং সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ১০০ ডলারেরও বেশি হতে পারে। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার দাম ২.৩% বেড়ে আউন্সপ্রতি ৫,৩৯৫.৯৯ ডলারে পৌঁছেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।