ধূমপান, বায়ুদূষণ, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রণযোগ্য ঝুঁকির কারণ মোকাবিলা করা গেলে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি প্রায় ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিরোধ বা বিলম্বিত করা সম্ভব বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ১৮ জুলাই প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে একটি হালনাগাদ নির্দেশিকাও প্রকাশ করেছে।
ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ডিমেনশিয়া বিশ্বে মৃত্যুর সপ্তম প্রধান কারণ এবং বয়স্কদের শারীরিক অক্ষমতা ও অন্যের ওপর নির্ভরশীলতার অন্যতম কারণ। বর্তমানে ৫ কোটি ৭০ লাখের বেশি মানুষ এতে আক্রান্ত এবং বছরে প্রায় এক কোটি নতুন রোগী শনাক্ত হন। মোট রোগীর প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত ধরন আলঝেইমার্স দেখা যায়।
সংস্থাটি বলেছে, ডিমেনশিয়ার স্থায়ী নিরাময় না থাকলেও ধূমপান, অতিরিক্ত অ্যালকোহল, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ঝুঁকি কমানো সম্ভব। মৃদু মানসিক ও জ্ঞানীয় সমস্যায় থাকা প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মানসিক উদ্দীপনামূলক কার্যক্রম ও বিশেষ প্রশিক্ষণ উপকারী হতে পারে। ডিমেনশিয়ায় বিশ্ব অর্থনীতির বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার, যার প্রায় অর্ধেক অবৈতনিক পরিচর্যার সঙ্গে যুক্ত।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।