একটি মতামতধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ক্ষমতা পরিবর্তনের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয় ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে দলীয় লোক নিয়োগের সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভ্যাস। ১৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত লেখাটি দাবি করে, এই প্রবণতা সংবিধান বা নির্দিষ্ট আইনের বাধ্যবাধকতা নয়; নির্বাহী বিভাগের বিস্তৃত ক্ষমতা দলীয় বিবেচনায় ব্যবহারের ফল।
লেখায় ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ১৯৭৩ সালের অর্ডিন্যান্সে সিনেট প্যানেলের সুপারিশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও সরকার বিশেষ পরিস্থিতির অজুহাতে তা এড়িয়ে যায় বলে দাবি করা হয়। বিইউইটিতে ছাত্ররাজনীতি ও শিক্ষক রাজনীতির সীমাবদ্ধতার কথাও এসেছে, তবে উপাচার্য নিয়োগে প্রেসিডেন্টের চূড়ান্ত ক্ষমতার কারণে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হয়নি বলে লেখাটির বক্তব্য।
লেখাটি শেখ মুজিবুর রহমানের আমল থেকে শুরু হয়ে জিয়াউর রহমানের আমলে জোরদার এবং ১৯৯১ সালের পর পদ্ধতিগত হওয়া নিয়োগ-সংস্কৃতির বর্ণনা দেয়। জুলাই ২০২৪-এর বিদ্রোহকে এই প্রবণতার বিরুদ্ধে গণরায় হিসেবে তুলে ধরে স্বচ্ছ, মেধাভিত্তিক ও নিরপেক্ষ নিয়োগপ্রক্রিয়া চালুর আহ্বান জানানো হয়েছে। সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড ও কানাডার উদাহরণ দিয়ে দলীয় প্রভাবমুক্ত প্রতিষ্ঠান গঠনের পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।