বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থিক খাতের সংকটেও আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গ্রাহকের আস্থা ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারে সফল হয়েছে। ব্যাংকটি কখনো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তারল্য সহায়তা নেয়নি, কোনো গ্রাহকের চেক ডিজঅনার হয়নি এবং সেবা অব্যাহত ছিল। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ব্যাংকের আমানত দাঁড়ায় ৫৪ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বেশি। একই সময়ে আমানত হিসাব সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ২৯ হাজারের বেশি। ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা হয়েছে ৮৫ কোটি টাকা এবং নতুন একাউন্ট যুক্ত হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার।
২০২৫ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুশাসন সংস্কারের অংশ হিসেবে পরিচালনা পর্ষদ পরিবর্তন ও ৬০০-র বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পর ব্যাংকটি বড় ধরনের পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যায়। প্রযুক্তি উন্নয়ন, ডিজিটাল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং ও গ্রামীণ উন্নয়ন কর্মসূচির সম্প্রসারণে ব্যাংকটি নতুন গতি পায়। বর্তমানে ২২৬টি শাখা, ৮৯টি উপশাখা ও ৭৩৮টি এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে সেবা দিচ্ছে।
ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মতে, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ব্যবস্থাপনা ব্যাংকটির আস্থা পুনর্গঠনে মূল ভূমিকা রেখেছে। ডিজিটাল ও গ্রামীণ ব্যাংকিংয়ে অগ্রগতি দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।