গত এক দশকে অন্তত আটজন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর জীবনী লিখেছেন অ্যান্থনি সেলডন। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাজ্যে ঘন ঘন নেতৃত্ব পরিবর্তনের কারণে ৭২ বছর বয়সী এই লেখককে ক্রমাগত নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মেলাতে হচ্ছে। সর্বশেষ কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে লেবার পার্টির স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরাজয়ের পর তার সহকর্মীরাই তাকে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সেলডনের আশঙ্কা, আগামী আগস্টে ঋষি সুনাকের জীবনী প্রকাশের সময়ের মধ্যেই দেশটি সাত বছরে ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী পেতে পারে।
এই রাজনৈতিক অস্থিরতা যুক্তরাজ্যের গভীর অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত সংকটের প্রতিফলন। ২০০৮ সালের আর্থিক মন্দার পর থেকে প্রকৃত মজুরি স্থবির, ব্রেক্সিটের প্রভাবে জিডিপি কমেছে, আর রাজনৈতিকভাবে দেশটি এখন বহু-পার্টির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিভক্ত। বিশ্লেষকদের মতে, স্টারমার সৎ ও নীতিবান হলেও তার নেতৃত্বে ক্যারিশমা ও স্পষ্ট দিকনির্দেশনার অভাব রয়েছে।
এদিকে ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহামকে সম্ভাব্য বিকল্প নেতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। মেকারফিল্ডের আসন্ন উপ-নির্বাচনে তার জয় বা পরাজয় লেবার পার্টির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।