বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আওতা ১৫ উপজেলা থেকে বাড়িয়ে ১৯ উপজেলায় সম্প্রসারণ করছে। আগামী জুন মাসে পাইলট কার্যক্রম শুরু হতে পারে। এ বিষয়ে গতকাল মন্ত্রণালয়ে ১৩ সদস্যের কোর কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সম্ভাব্য সমস্যা ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। সরকারের ৩১ দফা নির্বাচনি অঙ্গীকারের একটি হিসেবে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মধ্যে এ কার্ড বিতরণ করা হবে।
সরকারের ভেতরে এ কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা বিশ্বব্যাংককে সম্পৃক্ত করার পক্ষে কাজ করছেন, যাতে সরকারের আর্থিক চাপ কমে। তবে কৃষিমন্ত্রী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সুষম বণ্টনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। প্রি-পাইলট পর্যায়ে জমির মালিকানা ও ব্যাংক তথ্যের অসংগতি নিয়ে কিছু জটিলতা ধরা পড়েছে।
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা নগদ প্রণোদনা, কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ ঋণ ও কৃষিবিমাসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন। চার বছরে এক কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এ কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার প্রাক্কলিত ব্যয় ৬৮১ কোটি টাকা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।