সোমবার বাংলাদেশজুড়ে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দেখা গেছে, যার প্রভাব পড়েছে ঘরবাড়ি, পরিবহন ও শিল্পে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় আমদানি চাপে পড়েছে এবং সরবরাহকারী পাওয়া কঠিন হচ্ছে। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট; ঘাটতি ছিল সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
গ্যাস ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানার কাজ ও সিএনজি বিক্রি ব্যাহত হয়েছে। গ্যাসভিত্তিক কারখানার উৎপাদন সক্ষমতার ৭০ শতাংশ অব্যবহৃত থাকছে এবং তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ কমেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পিক আওয়ারে প্রায় ১৬ হাজার ২০০ থেকে ১৬ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১৪ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হওয়ায় ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়েছে।
সরকার সেপ্টেম্বরের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দিয়েছে, যার দাম প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪ ডলারের বেশি। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে আরও দুই বছর সময় লাগবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।