মৎস্য সংরক্ষণের জন্য সরকার মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, যার ফলে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ, মদন ও খালিয়াজুড়ি এলাকার হাজারো জেলে পরিবার এখন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ২৮ মে থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত প্রথম দফা নিষেধাজ্ঞা শেষে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফা। বিকল্প কর্মসংস্থান বা খাদ্য সহায়তা না থাকায় অনেক পরিবার অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে, আর প্রশাসনও মাঠ পর্যায়ে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে হিমশিম খাচ্ছে।
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলায় নিবন্ধিত জেলে ৪৯ হাজার ৩৭৮ জন এবং আরও ৩০-৪০ হাজার অনিবন্ধিত বা মৌসুমি জেলে রয়েছে, যাদের বেশিরভাগই হাওরাঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল। ৩ জুন মন্ত্রীদের সফরে ১৬ টন পোনা অবমুক্ত করে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়, কিন্তু জেলেদের জীবিকার কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ১২ জুলাই ডিঙ্গাপোতা হাওর থেকে পুলিশ চারটি বড় জাল আটক করে, পরদিন শতাধিক জেলে তা ছিনিয়ে নেয়, ফলে ৮০০ জনের বেশি জেলের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাছ রক্ষার পাশাপাশি মানুষের জীবিকা রক্ষার পরিকল্পনা না থাকলে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।