ইরানি সভ্যতাকে নিশ্চিহ্ন করার হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হন। ইরানি সংবাদমাধ্যম জানায়, এই যুদ্ধবিরতি ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বৈরিতার অবসান, তেহরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অব্যাহত রাখা, ইরানের মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলি আগ্রাসনের ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী নৌযান থেকে ট্রানজিট ফি আদায়।
এই শর্তে স্থায়ী শান্তিচুক্তি হলে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বড় ধাক্কা খেতে পারে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, নেতানিয়াহু এককভাবে ট্রাম্পকে ইরান আগ্রাসনে প্ররোচিত করেছিলেন। এখন যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের প্রস্তাব মেনে নেয়, তবে ইরান আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে, যা নেতানিয়াহুর আগ্রাসন পরিকল্পনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এই পরিস্থিতি ইসরাইলের আঞ্চলিক অবস্থান ও আরব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ‘ইবরাহিমি চুক্তি’ প্রকল্পকে হুমকির মুখে ফেলেছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকলে উপসাগরীয় দেশগুলো তেল–গ্যাস রপ্তানিতে তেহরানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে, ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবও কমে যেতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।