ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবিত নতুন চুক্তির আওতায় ইরানে বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি বেসরকারি তহবিল গঠনের রূপরেখা তৈরি হয়েছে। রয়টার্সের এক সূত্র জানিয়েছে, এই তহবিলের অর্ধেকেরও বেশি অর্থ ইতিমধ্যে বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। আগামী শুক্রবার ওয়াশিংটন ও তেহরানে চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে, যা চলমান যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
এই তহবিল সম্পূর্ণ বেসরকারি খাতের অর্থে গঠিত হবে, কোনো সরকারি অনুদান থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্র, উপসাগরীয় দেশ, এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন কোম্পানি এতে অংশ নিচ্ছে। বিনিয়োগ মূলত জ্বালানি, লজিস্টিকস, উৎপাদন ও পরিবহন খাতে ব্যবহৃত হবে। ইরান প্রথমে ৪০০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করলেও যুক্তরাষ্ট্র তা প্রত্যাখ্যান করায় এই পুনর্গঠন ও উন্নয়ন তহবিলের ধারণা আসে।
চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পরই তহবিল কার্যকর হবে এবং পরবর্তী ৬০ দিনে পরিকল্পনা প্রণয়ন চলবে। পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখছে। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ ও আন্তর্জাতিক পরিদর্শন মেনে নিলে তবেই এই তহবিলের সুবিধা পাবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।