নিবন্ধটিতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি নির্ণায়ক দিন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ৩ নভেম্বর শুরু হওয়া প্রতিবিপ্লবের অবসান ঘটেছিল এদিন। গৃহবন্দি জিয়াউর রহমান সৈনিকদের অভ্যুত্থানে মুক্ত হন এবং পরে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেন। নিবন্ধে ঘটনাটির সঙ্গে ১৯৭১ সালে কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার সম্পর্কও টানা হয়েছে।
লেখায় বলা হয়েছে, ৩ নভেম্বর সামরিক অভ্যুত্থানের পর খন্দকার মোশতাকের পতন ঘটে এবং খালেদ মোশাররফ সেনাপ্রধান হন। এতে দাবি করা হয়, মোশাররফ ও কর্নেল সাফায়াত জামিল জিয়াউর রহমানের কাজে বাধা দিতেন এবং আগস্টের পরিবর্তনের আগের পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছিলেন। একই সঙ্গে কর্নেল তাহের জিয়ার মুক্তির দাবিকে সামনে রেখে পৃথকভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলেও নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিবন্ধ অনুযায়ী, ১০ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেসে খালেদ মোশাররফ, কর্নেল হুদা ও কর্নেল হায়দার নিহত হন। জিয়াউর রহমানের বেতার ভাষণের পর জনতার উদ্যাপনের বর্ণনা দিয়ে লেখক সমসাময়িক সংকটে ৭ নভেম্বরের চেতনাকে ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।