চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দরের ইয়ার্ড ও অফডক থেকে খালি কনটেইনার বাইরে সংরক্ষণের অনুমতি চেয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে চিঠি দিয়েছে। ২৬ জুলাই এনবিআর চেয়ারম্যানকে পাঠানো চিঠিতে শিপিং এজেন্ট ও মেইন লাইন অপারেটরদের তত্ত্বাবধানে বন্দর ও অফডকের বাইরে এসব কনটেইনার রাখার অনুমতির কথা বলা হয়। বন্দরের ভাষ্য, প্রতিদিন খালি হওয়া কনটেইনারের তুলনায় কম কনটেইনার সরানো যায়, ফলে ভেতরে স্তূপ তৈরি হচ্ছে।
বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, বিভিন্ন ইয়ার্ডে ৩৩ হাজারের কিছু বেশি কনটেইনারের মধ্যে তিন হাজারের বেশি খালি। এগুলো জায়গা দখল করায় ইকুইপমেন্ট চলাচল কঠিন হচ্ছে এবং ব্যয় ও সময় বাড়ছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ২০২৫ সালের ১৩ অক্টোবরও এনবিআরকে বিষয়টি জানিয়েছিল, তবে কোনো জবাব পায়নি বলে জানিয়েছে। তাদের মতে, প্রতিবেশী দেশের বন্দরে নন-বন্ডেড এলাকায় খালি কনটেইনার রাখার ব্যবস্থা আছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমস বলেছে, বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স ছাড়া এসব কনটেইনার স্থানান্তর বা সংরক্ষণের সুযোগ নেই, কারণ খালি কনটেইনারও বন্ডেড পণ্য। বিকডা প্রস্তাবটিকে অবাস্তব বলেছে। সংগঠনটির তথ্যমতে, ১৮টি অফডকে ৭৬ হাজার ৫০০ কনটেইনার ছিল, যার ৫৬ হাজার খালি; সেখানে আরও ৩০ হাজারের বেশি কনটেইনার রাখার জায়গা রয়েছে। দুটি নতুন অফডক চালু হলে আরও ১৮ হাজার একক ধারণক্ষমতা যুক্ত হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।