আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর আব্বাসসহ কেশম, কিশ ও আবু মুসা দ্বীপে বিমান হামলা চালিয়েছে। এই হামলার পর আবারও প্রশ্ন উঠেছে, ওয়াশিংটন কি ইরানের ভূখণ্ড দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে? এর আগে মার্চ মাসে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, পেন্টাগন ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রধান পথ খার্গ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করছে, যদিও জুনে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর আলোচনা থেমে যায়।
ফক্স নিউজে এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। আলজাজিরাকে দেওয়া বিশ্লেষণে অধ্যাপক অ্যান্ড্রেয়াস ক্রিগ ও নাদের হাশেমি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা থাকলেও এর ব্যয় ও ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। তারা সতর্ক করেন, দ্বীপ দখল করা সহজ হলেও তা ধরে রাখা কঠিন হবে এবং এতে রাজনৈতিক ও মানবিক ক্ষতি হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন অভিযান ইরানের পাল্টা হামলা উসকে দিতে পারে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করবে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা বিপন্ন করবে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে ফেলতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।