আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো মাঠের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায়ও প্রচার জোরদার করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এটি প্রথম সর্বজনীন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। প্রার্থীরা ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে তরুণ ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে ব্যস্ত, যাদের সংখ্যা মোট ভোটারের প্রায় ৪৪ শতাংশ। ভাইরাল থিম সং, নাটক ও ভিডিওর মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়া এখন নির্বাচনি প্রতিযোগিতার মূল মঞ্চে পরিণত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের ৯৮ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যা ১৩ কোটির বেশি হওয়ায় ডিজিটাল প্রচার এখন সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম। জামায়াত, বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের নির্বাচনি গান ও ভিডিওর মাধ্যমে অনলাইনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তবে সাইবার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচারের ঝুঁকি বাড়ছে, তাই দায়িত্বশীল ব্যবহার জরুরি।
ফ্যাক্টচেকারদের মতে, নির্বাচনি বার্তাগুলো এখন রিলস ও শর্ট ভিডিওর মাধ্যমে তরুণদের ব্যক্তিগত ফিডেও পৌঁছে যাচ্ছে, এজন্য প্রার্থীরা বড় বাজেট বরাদ্দ করছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।