ইরান যুদ্ধ, রাশিয়ার রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা এবং চীনের জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে ডিজেলের সরবরাহ সংকট তীব্র হচ্ছে বলে জানিয়েছে আলজাজিরা। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি সরবরাহ ও রপ্তানি প্রবাহ ব্যাহত করেছে। চীনা শোধনাগারগুলো অক্টোবর মাসে জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ রাখায় বাজারের চাপ আরও বেড়েছে।
ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার কয়েকটি তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দেশটি ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ আরও কমেছে। রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার পর ইউরোপ, যা আগে রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিপুল ডিজেল আমদানি করত, এখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানির ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে।
অভ্যন্তরীণ বাজারে ডিজেলের দাম কমাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো ফ্রান্সের জরুরি মজুত থেকে ৫ কোটি ব্যারেল ডিজেল ছাড়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছে। মার্চে আইইএ ৪০ কোটি ব্যারেল তেল মজুত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়; সংস্থাটির প্রধান ফাতিহ বিরোলের মতে, সদস্য দেশগুলো এখন পর্যন্ত এর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বাজারে ছেড়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।