ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বিরোধী দলগুলো ভোটগ্রহণের সময় ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি এবং নির্দিষ্ট প্রতীকে জোরপূর্বক সিল মারার অভিযোগ করে। ১১ দলীয় ঐক্য ও জামায়াতে ইসলামী জানায়, কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে এবং নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে।
বিরোধী প্রার্থীরা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ভোটে সূক্ষ্ম কারচুপি বা সিল মারার ঘটনা ঘটলে তারা রাজপথের আন্দোলন জোরদার করবেন। তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, বিরোধী প্রার্থীর উত্থাপিত অনিয়মের কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ নির্বাচন কমিশন পায়নি। ইসি নির্বাচন ভবন থেকে সিসিটিভি, ফিল্ড নজরদারি ও ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তদারকির কথা জানায়।
ইসির দাবি, ভোটদান প্রক্রিয়া সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ ছিল এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে মত প্রকাশ করেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ায় আসনটি শূন্য হয়। ১০ সেপ্টেম্বর ইসি উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। এ নির্বাচনে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, হাতপাখা, বটগাছ ও ডাব প্রতীক নিয়ে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।