বাংলাদেশের নগরজীবনে কিশোর গ্যাং নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্যধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, কিশোরদের ভয় দেখানো, সংঘাতে জড়ানো ও উগ্রতা প্রদর্শন কেবল ব্যক্তিগত বেপরোয়া আচরণের ফল নয়। পারিবারিক অশান্তি, অভিভাবকের সময়ের অভাব, শিক্ষাজীবন থেকে বিচ্ছিন্নতা, খারাপ সঙ্গ, অর্থনৈতিক অনটন, অব্যবহৃত অবসর এবং অনলাইনের নেতিবাচক প্রভাব ধীরে ধীরে তাদের বিপথে নিতে পারে।
লেখাটিতে বলা হয়েছে, স্বীকৃতির স্বাভাবিক চাহিদাকে প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধী চক্র কাজে লাগাতে পারে। ইউনিসেফের বাংলাদেশবিষয়ক গবেষণার উল্লেখ করে এতে শিশুদের অপরাধী গোষ্ঠীতে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধী নেটওয়ার্ক, অর্থনৈতিক প্রণোদনা এবং সামাজিক সুরক্ষার নামে গড়ে ওঠা জটিল সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের নাম ব্যবহার, দাপট দেখানো এবং অপরাধের পর পার পেয়ে যাওয়ার ধারণাও আইনের ভয় কমাতে পারে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অন্ধ অনুকরণ, মাদকের সংস্পর্শ এবং খেলাধুলার মাঠ, পাঠাগার ও সাংস্কৃতিক পরিসর কমে যাওয়াকেও ঝুঁকি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। কিশোরদের সুরক্ষায় মাঠ ও সৃজনশীলতার সুযোগ ফিরিয়ে আনা, অপরাজনীতির প্রভাব থেকে দূরে রাখা এবং পরিবার, শিক্ষক ও সমাজের সক্রিয় নজরদারির আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।