নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের মামলায় মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর এবং তাঁর ভাই মাইমুন ওরফে মামুন মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট মদন থানার উপপরিদর্শক মো. আক্তারুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
দুই আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষায় শিশুটির জন্ম দেওয়া নবজাতকের সঙ্গে প্রধান আসামি আমান উল্লাহ মাহমুদীর ডিএনএ ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিলে যাওয়ার পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল বলেন, ঢাকার সিআইডি ল্যাবের চূড়ান্ত প্রতিবেদন সম্প্রতি আদালতে পৌঁছেছে।
শিশুটি ২ জুলাই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। তার মা ২৩ এপ্রিল মামলা করেন এবং অভিযোগ করেন যে, আমান উল্লাহ শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। ১২ মে আদালতের নির্দেশে শিশুটিকে সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়। অভিযোগপত্র দাখিলের মাধ্যমে তদন্ত শেষ হয়েছে; পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম শেষে মামলা বিচারিক পর্যায়ে যাবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।