Web Analytics

বাংলাদেশের নেছারাবাদ উপজেলায় ২০টি গ্রামের পাঁচ শতাধিক নারীপ্রধান পরিবারের প্রায় সাত হাজার নারীশ্রমিক বাঁশশিল্পকে প্রধান আয়ের উৎস হিসেবে ধরে রেখেছেন। বাড়িভিত্তিক এই কাজে নারীরা বিকাল ৩টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বাঁশের নানা পণ্য বোনেন। পড়ালেখার ফাঁকে পরিবারের ছেলেমেয়েরাও মায়েদের সহায়তা করে। তবে চাহিদা কমে যাওয়া ও কঠিন জীবনযাত্রার মধ্যেও এই শিল্পে তাঁদের জীবিকা চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় অর্ধশত বছর আগে উপজেলায় প্রায় ৪০ হাজার নারী উদ্যোক্তা পৈতৃক পেশায় যুক্ত থেকে ৩০ থেকে ৪০ ধরনের শৌখিন সামগ্রী তৈরি করতেন। একসময় ১৩৭টি গ্রামে ৪৬টি বাঁশশিল্প থাকলেও ২৬টি বিলুপ্ত হয়েছে; টিকে আছে ২০টি। কারিগরদের মতে, বাঁশের দাম বৃদ্ধি, কাঁচামালের সংকট, প্লাস্টিক পণ্যের বাজার দখল এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও পরিকল্পিত উদ্যোগের অভাব শিল্পটির সংকট বাড়িয়েছে।

কারিগররা ঝুড়ি, চাটাই, ডালি, হাতপাখা, কুলা, চালুন, মাছ ধরার খলই, ঝাঁপা ও বই রাখার র‌্যাকসহ প্রায় ২০ থেকে ২২ ধরনের পণ্য তৈরি করেন। পণ্য তৈরির আগে বাঁশ তিন দিন পানিতে ভিজিয়ে পরে চিরে প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রস্তুত করা হয়। বিসিক ব্যবস্থাপক মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের প্রণোদনা ও আর্থিক সহায়তার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানো হবে।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।