আফলাটক্সিনের উপস্থিতির আশঙ্কায় ভারত থেকে সরকার-টু-সরকার চুক্তিতে আমদানি করা প্রায় ৯,৫০০ টন চালের বিতরণ স্থগিত করেছে খাদ্য বিভাগ। চালের মান যাচাইয়ে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ড. শরীফা সুলতানা দীপ্তির নেতৃত্বে দুই সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল ১৭ আগস্ট চট্টগ্রামের হালিশহর ও দেওয়ানহাট কেন্দ্রীয় খাদ্যগুদাম থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। নমুনাগুলো বর্তমানে গাজীপুরে পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং ফল না পাওয়া পর্যন্ত চাল বিতরণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সাড়ে ১০ হাজার টনের চালানটি এমভি এইচটি পাইওনিয়ার জাহাজে ২১ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায়। প্রাথমিক পরীক্ষায় খাদ্যোপযোগী প্রতিবেদন পাওয়ার পর চাল খালাস করা হলেও গুদামে নেওয়ার পর এর রং লালচে, কিছু অংশ ভেজা ও পচা এবং দুর্গন্ধযুক্ত দেখা যায়। চারটি গুদাম থেকে ৯৮৪ টন খাবার অনুপযোগী চাল সরবরাহকারীর অনুকূলে ফেরত দেওয়া হয়; বাকি চাল গুদামে রাখা হয়েছে।
প্রাথমিক পরীক্ষায় আফলাটক্সিনের অস্তিত্বের ইঙ্গিত মিলেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তবে নিশ্চিত হতে আরও পরীক্ষা চলছে। চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর খাদ্য অধিদপ্তর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। ভারতীয় প্রতিষ্ঠান অ্যাগ্রো কর্পসের সরবরাহ করা ফেরত চাল অন্য একটি ল্যাবের ইতিবাচক প্রতিবেদন দেখিয়ে পুনরায় গ্রহণ করানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।